বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মহম্মদপুর গোয়ালঘরে আগুনে ৫ গবাদিপশু পুড়ে ছাই, শোকে কৃষকের মৃত্যু চিনির দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের কোনো সংকট হবে না : প্রধানমন্ত্রী মহম্মদপুরে ইয়াবা ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক-১ সমুদ্রসীমার সম্পদ আহরণ করে দেশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে শরীয়তপুরে বোরো আবাদ শেষ পর্যায়ে ভেনিজুয়েলায় খনি ধসে ১৫ জনের প্রাণহানি আজ ঢাকার বাতাস ১০০ শহরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অস্বাস্থ্যকর দীর্ঘস্থায়ী শান্তির জন্য দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান তুলে ধরা হয়েছে মিউনিখে

খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন

Reporter Name / ১১৮ Time View
Update : সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

ঢাকা: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে আগের শর্তেই মুক্তির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগের মতো খালেদা জিয়া ঢাকার নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন এবং এই সময়ে তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। এ দুটি শর্তে দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

গেল ১০ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানোর বিষয়ে মত দিয়ে এ সংক্রান্ত ফাইল আইন মন্ত্রণালয় থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। সেদিন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

এ নিয়ে অষ্টমবারের মতো কারাবন্দি খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ল। আগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ ২৪ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়ার কথা।

এর আগে, খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দিতে তার পরিবারের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন করা হয়।

জানা গেছে, খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। অসুস্থতা বাড়লে মাঝে মাঝে তাকে হাসপাতালে নিতে হচ্ছে।

বেগম জিয়া এখন রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে ১৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৩টার দিকে তাকে কেবিন থেকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। পরে আবার তাকে কেবিনে নেওয়া হয়।

দুটি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া কারাবন্দি ছিলেন। নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত রয়েছে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বকশীবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ আদালত।

রায় ঘোষণার পর খালেদাকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রাখা হয়। এরপর ৩০ অক্টোবর এই মামলায় আপিলে তার আরও পাঁচ বছরের সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন হাইকোর্ট।

একই বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন একই আদালত। রায়ে সাত বছরের কারাদণ্ড ছাড়াও খালেদা জিয়াকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

সরকার নির্বাহী আদেশে সাজা স্থগিত করে দুটি শর্তে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়েছিল ২০২০ সালের ২৫ মার্চ। তখন দেশে করোনা মহামারি চলছিল। এরপর থেকে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ছয় মাস অন্তর অন্তর তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে। source : banglanews


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর