মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বাংলাদেশকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লো আফগানিস্তান দিনাজপুরের  ঐতিহাসিক মোগল সম্রাটের পরগনা ঘোড়াঘাটে ঘোড়াশালসহ দুর্গ বিলুপ্তির পথে ২০৫০ সালে একবিংশ শতাব্দীর অর্থেক পথ পাড়ি দেবে বিশ্ব শেখ হাসিনা-মোদি বৈঠকে দু’দেশের সম্পর্ক গভীর হবে বলে আশাবাদী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে শেখ হাসিনার আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ প্রদান রাষ্ট্রপতির, আগামীকাল সন্ধ্যায় শপথ গ্রহণ শ্রীলংকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নয়াদিল্লী গেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইরানের অন্তবর্তী প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন মোহাম্মদ মোখবের রাইসি নিহত: ইরানী সংবাদ মাধ্যমের ঘোষণা

শেখ হাসিনা সফলভাবে তার বাবার কাজগুলো এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন: পুতিন

Reporter Name / ২২৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৩

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা সফলভাবে ও মর্যাদার সঙ্গে তার বাবার (জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) কাজগুলো এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।’ বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের (আরএনপিপি) পারমাণবিক জ্বালানি-ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মস্কোর ক্রেমলিন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে এ কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
পুতিন বলেন, ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র (আরএনপিপি) ঢাকা ও মস্কোর মধ্যে সুদৃঢ় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতীক হয়ে থাকবে। নেতৃস্থানীয় প্রকল্পটি উভয় দেশের স্বার্থ পূরণ করবে এবং পারস্পরিক স্বার্থে সহযোগিতাকে আরও গভীর করে তুলবে।’

পারমাণবিক শক্তি অর্জনে বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়ে পুতিন বলেন, ‘এই প্রকল্পে উভয় দেশেরই স্বার্থ রয়েছে এবং এটি বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তায় বিরাট অবদান রাখবে।’

বাংলাদেশকে পরীক্ষিত বন্ধু ও উন্নয়ন সহযোগী উল্লেখ করে রুশ প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘পারস্পরিক সমতা ও সম্মানের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’ পুতিন বলেন, ‘৫০ বছর আগে রাশিয়া ও বাংলাদেশ পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে তাদের সম্পর্ক স্থাপন করেছে।’

রুশ প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘১৯৭০-এর দশকের শুরুতে সোভিয়েত ইউনিয়ন পূর্ব বাংলার স্বাধীনতার সংগ্রামে ও এরপর সদ্য স্বাধীন দেশ পুনর্গঠনে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল।’

বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দেশগুলোর মধ্যে রাশিয়া অন্যতম। স্বাধীনতার পরপরই রাশিয়া বাংলাদেশে বড় বড় শিল্প ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়- যা এখনো তার অর্থনীতিতে অবদান রাখছে।’

পুতিন গত বছর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন ও বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক মস্কো সফরের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর মস্কো সফর ছিল দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক।’

ভ্লাদিমির পুতিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে জ্বালানি সরবরাহের সনদ তুলে দেন। আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসিও ভিয়েনা থেকে ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান ও রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর