Dhaka ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পিআর পদ্ধতিতেই নির্বাচন দিতে হবে: চরমোনাই পীর

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:২২:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫
  • ১০৪ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, শ্রমিকবান্ধব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ইসলামী শক্তিকে মতায় আনতে হবে। বর্তমানে দেশে ইসলামকে মতায় আনার উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পিআর পদ্ধতি বাস্তবায়ন জরুরি। গতকাল শুক্রবার বিকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলে শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে ঢাকা ও আশপাশের জেলার নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম। সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সুষ্ঠু  প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতে আগামী জাতীয় নির্বাচন অবশ্যই পদ্ধতিতে হতে হবে। কারণ বর্তমান নির্বাচনী পদ্ধতিতে জনগণের প্রকৃত মতামত সংসদে প্রতিফলিত হয় না। এতে জাতীয় রাজনীতিতে বৈষম্য, অস্থিরতা ও অন্যায় প্রভাব দেখা দেয়। শ্রমিকরাও তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। আর মালিকরা আঙুল ফুলে কলাগাছে পরিণত হন। তিনি বলেন, জনগণের ভোটের অনুপাতে রাজনৈতিক দলগুলোর আসন বণ্টনই গণতান্ত্রিক ও ন্যায়সঙ্গত পদ্ধতি। এতে ভোটের মূল্য সংরতি থাকবে, ছোট ও নতুন রাজনৈতিক দলগুলোও প্রতিনিধিত্বের সুযোগ পাবে এবং জাতীয় ঐক্য ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে। তিনি উল্লেখ করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শুরু থেকেই পিআর পদ্ধতির দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। এখন সময় এসেছে এই দাবিকে জাতীয় ঐক্যের প্ল্যাটফর্মে রূপ দেওয়ার। তিনি অবিলম্বে এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে সরকারের প্রতি দাবি জানান। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেন, ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়ন ছাড়া কখনই শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে না। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এমন একটি রাষ্ট্র গঠন করতে চায়- যেখানে মানুষ ও কুকুর খাদ্যের জন্য লড়াই করবে না, মালিক-শ্রমিক দ্ব›দ্ব থাকবে না, সবাই মিলেমিশে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করবে। সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন ও অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, মহাসচিব অধ্য হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমাদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, সহকারী মহাসচিব অধ্য মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র সহ-সভাপতি হাফেজ সিদ্দিকুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল কে এম বিল্লাল হোসাইন, যুগ্ম সেক্রেটারি জেনারেল এইচ এম রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল উদ্দিন আহম্মেদ প্রমুখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

পিআর পদ্ধতিতেই নির্বাচন দিতে হবে: চরমোনাই পীর

Update Time : ০৬:২২:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, শ্রমিকবান্ধব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ইসলামী শক্তিকে মতায় আনতে হবে। বর্তমানে দেশে ইসলামকে মতায় আনার উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পিআর পদ্ধতি বাস্তবায়ন জরুরি। গতকাল শুক্রবার বিকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলে শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে ঢাকা ও আশপাশের জেলার নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম। সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সুষ্ঠু  প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতে আগামী জাতীয় নির্বাচন অবশ্যই পদ্ধতিতে হতে হবে। কারণ বর্তমান নির্বাচনী পদ্ধতিতে জনগণের প্রকৃত মতামত সংসদে প্রতিফলিত হয় না। এতে জাতীয় রাজনীতিতে বৈষম্য, অস্থিরতা ও অন্যায় প্রভাব দেখা দেয়। শ্রমিকরাও তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। আর মালিকরা আঙুল ফুলে কলাগাছে পরিণত হন। তিনি বলেন, জনগণের ভোটের অনুপাতে রাজনৈতিক দলগুলোর আসন বণ্টনই গণতান্ত্রিক ও ন্যায়সঙ্গত পদ্ধতি। এতে ভোটের মূল্য সংরতি থাকবে, ছোট ও নতুন রাজনৈতিক দলগুলোও প্রতিনিধিত্বের সুযোগ পাবে এবং জাতীয় ঐক্য ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে। তিনি উল্লেখ করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শুরু থেকেই পিআর পদ্ধতির দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। এখন সময় এসেছে এই দাবিকে জাতীয় ঐক্যের প্ল্যাটফর্মে রূপ দেওয়ার। তিনি অবিলম্বে এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে সরকারের প্রতি দাবি জানান। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেন, ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়ন ছাড়া কখনই শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে না। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এমন একটি রাষ্ট্র গঠন করতে চায়- যেখানে মানুষ ও কুকুর খাদ্যের জন্য লড়াই করবে না, মালিক-শ্রমিক দ্ব›দ্ব থাকবে না, সবাই মিলেমিশে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করবে। সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন ও অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, মহাসচিব অধ্য হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমাদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, সহকারী মহাসচিব অধ্য মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র সহ-সভাপতি হাফেজ সিদ্দিকুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল কে এম বিল্লাল হোসাইন, যুগ্ম সেক্রেটারি জেনারেল এইচ এম রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল উদ্দিন আহম্মেদ প্রমুখ।