Dhaka ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী লীগকে ভোটে আনতে আন্তর্জাতিক কোন চাপ নেই

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:১২:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ৯৭ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক : কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনার জন্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে কোনো চাপ নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সা¤প্রতিক বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।

নির্বাচনের পর্যবেক নিয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেকদের আমন্ত্রণ জানাবে নির্বাচন কমিশন, অহেতুক বিতর্ক তৈরি করতে পারে এমন কাউকে আনতে চায় না সরকার।

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক প্রসঙ্গে তৌহিদ হোসেন বলেন, চীনের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখছে বাংলাদেশ। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা তৃতীয় কোনো দেশের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।

জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক এবং ধর্মীয় চিন্তাবিদ ড. জাকির নায়েক আগামী ২৮ নভেম্বর ঢাকায় আসছেন বলে ঘোষণা দিয়েছে স্পার্ক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট। তবে এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবগত নয় বলে জানান তিনি।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জাকির নায়েককে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে বলে আমি জানি না। আমি এরকম কিছু শুনিনি। এটা আপনার (প্রশ্নকারী সাংবাদিক) কাছ থেকেই প্রথম শুনলাম। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন-উভয়ের সঙ্গেই বাংলাদেশের সম্পর্ক গভীর। বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রেখে চলে। গতকাল মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন। ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন মার্কিন সিনেটে বলেছেন, দায়িত্ব পেলে তিনি চীনের সঙ্গে সম্পর্কের ঝুঁকিগুলো বাংলাদেশকে বোঝাবেন। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, আমরা সবার সঙ্গে সম্পর্কে একধরনের ভারসাম্য বজায় রেখে চলি। কোনো দেশ, বিশেষ করে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখবো না- এমন কিছু নয়। আমাদের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও গভীর সম্পর্ক আছে, আবার চীনের সঙ্গেও সম্পর্ক আছে। প্রতিটি দেশের সঙ্গেই আমাদের পারস্পরিক স্বার্থ জড়িত। বাংলাদেশ যে ভারসাম্য রা করে আসছে, তা বহাল থাকবে। আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যত সরকারও এই ভারসাম্য বজায় রাখবে। ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন আরও বলেছেন, বৃহৎ প্রতিবেশীর ছায়ায় থাকায় বাংলাদেশ গুরুত্ব কম পায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আমাদের চেয়ে যারা বড়, তাদের দৃশ্যমানতা (ভিজিবিলিটি) বেশি থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক। তবে আমাদের দেখতে হবে, আমাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমতার তুলনায় দৃশ্যমানতা কম কি না। আমি মনে করি, বাংলাদেশের গুরুত্ব তার আকারের তুলনায় অনেক বেশি। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে তৃতীয় কোনো দেশের উদ্বেগ আছে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, আমি তা মনে করি না। আমরা সবার সঙ্গেই ভারসাম্য রা করে চলি। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনী পর্যবেণের আড়ালে কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুর্নাম করার জন্য আসুক, সেটা আমরা চাই না। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক আসছে কি না, কতগুলো দেশ আসার জন্য যোগাযোগ করেছে- এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বেশ কয়েকটি দেশ ও সংস্থা ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ প্রাক্-নির্বাচনী দল পাঠিয়েছে। সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্রের আইআরআই প্রতিনিধিদল এসেছে। তৌহিদ হোসেন বলেন, আমরা বলেছি- একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপে নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকার বদ্ধপরিকর। যারা পর্যবেণে আসতে চায়, তাদের আমরা উৎসাহিত করব। তবে নির্বাচনী পর্যবেণের আড়ালে কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুর্নাম করার জন্য আসুক, সেটা আমরা চাই না। ইতোমধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন পর্যবেণে আগ্রহ দেখিয়েছে। আমরা চাই আরও পর্যবেক আসুক। নির্বাচন হওয়া নিয়ে বিভিন্ন অংশীজন উদ্বেগ প্রকাশ করছে। বিদেশিদের মধ্যে উদ্বেগ আছ কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কেউ আমার কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেননি। তবে যতণ পর্যন্ত ঘটনার শেষ না হয়, দেশে-বিদেশে উদ্বেগ হতেই থাকবে। অন্য এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বিদেশি পর্যবেক কারা হবেন, সেটা নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে। আমরা ভিসা দেওয়ার েেত্র সহায়তা করব। তৌহিদ হোসেন বলেন, শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়ার বিষয়ে আমরা আমাদের আইনি দিক পালন করেছি এবং আদালতের নির্দেশেই আমরা ফেরত চেয়েছি। তারা (ভারত) দেখুক তাদের মতো করে, আমাদের এখন পর্যন্ত কিছু জানায়নি। সাংবাদিকদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমাদের সাংবাদিকরা ভারত গিয়েছিলেন। আপনাদের (সাংবাদিক) নিয়ে আমার একটা অবজারভেশন আছে। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব যখন আপনাদের বলেছিলেন তারা অন্তর্ভুক্তিমূলক , স্বচ্ছ ইত্যাদি নির্বাচন চান। আপনাদের মুখে তারা একটা প্রশ্ন তুলে দিয়েছিলেন, আপনারা কেউ করেননি। আপনাদের মুখে প্রশ্ন তুলে দেওয়া হয়েছিল যে- এই কথা গত ১৫ বছর বলেননি কেন! আগের নির্বাচন কি এই ফর্মুলায় সঠিক ছিল? আপনারা কেউ এই প্রশ্নটি তুলেন নাই। তিনি আরও বলেন, আমি বরং অবাক হয়েছি যে, আপনাদের মধ্যে অনেক সিনিয়র পুরনো সাংবাদিক ছিলেন, কিন্তু কেউ এই প্রশ্নটি তুলেননি। যেহেতু উনি (ভারতের পররাষ্ট্র সচিব) সুযোগ দিয়েছেন, আপনারা যদি বিব্রত করতে নাও চান, যখন তিনি সুযোগ দিয়েছেন তখন প্রশ্নটি করেননি। এ সময় রাষ্ট্রীয় দাওয়াতে জাকির নায়েক দেশে আসছেন কি-না এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইসলামিক বক্তা জাকির নায়েককে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে- এমন কিছু আমার জানা নেই। আমি এখনই আপনাদের কাছে থেকে জানলাম। আমি এরকম কিছু শুনিনি। ঢাকায় নতুন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সমস্যার সৃষ্টি হয় বা বিতর্ক তৈরি হয় এমন কেউ এখানে আসবে না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

আওয়ামী লীগকে ভোটে আনতে আন্তর্জাতিক কোন চাপ নেই

Update Time : ১১:১২:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনার জন্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে কোনো চাপ নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সা¤প্রতিক বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।

নির্বাচনের পর্যবেক নিয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেকদের আমন্ত্রণ জানাবে নির্বাচন কমিশন, অহেতুক বিতর্ক তৈরি করতে পারে এমন কাউকে আনতে চায় না সরকার।

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক প্রসঙ্গে তৌহিদ হোসেন বলেন, চীনের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখছে বাংলাদেশ। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা তৃতীয় কোনো দেশের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।

জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক এবং ধর্মীয় চিন্তাবিদ ড. জাকির নায়েক আগামী ২৮ নভেম্বর ঢাকায় আসছেন বলে ঘোষণা দিয়েছে স্পার্ক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট। তবে এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবগত নয় বলে জানান তিনি।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জাকির নায়েককে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে বলে আমি জানি না। আমি এরকম কিছু শুনিনি। এটা আপনার (প্রশ্নকারী সাংবাদিক) কাছ থেকেই প্রথম শুনলাম। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন-উভয়ের সঙ্গেই বাংলাদেশের সম্পর্ক গভীর। বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রেখে চলে। গতকাল মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন। ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন মার্কিন সিনেটে বলেছেন, দায়িত্ব পেলে তিনি চীনের সঙ্গে সম্পর্কের ঝুঁকিগুলো বাংলাদেশকে বোঝাবেন। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, আমরা সবার সঙ্গে সম্পর্কে একধরনের ভারসাম্য বজায় রেখে চলি। কোনো দেশ, বিশেষ করে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখবো না- এমন কিছু নয়। আমাদের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও গভীর সম্পর্ক আছে, আবার চীনের সঙ্গেও সম্পর্ক আছে। প্রতিটি দেশের সঙ্গেই আমাদের পারস্পরিক স্বার্থ জড়িত। বাংলাদেশ যে ভারসাম্য রা করে আসছে, তা বহাল থাকবে। আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যত সরকারও এই ভারসাম্য বজায় রাখবে। ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন আরও বলেছেন, বৃহৎ প্রতিবেশীর ছায়ায় থাকায় বাংলাদেশ গুরুত্ব কম পায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আমাদের চেয়ে যারা বড়, তাদের দৃশ্যমানতা (ভিজিবিলিটি) বেশি থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক। তবে আমাদের দেখতে হবে, আমাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমতার তুলনায় দৃশ্যমানতা কম কি না। আমি মনে করি, বাংলাদেশের গুরুত্ব তার আকারের তুলনায় অনেক বেশি। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে তৃতীয় কোনো দেশের উদ্বেগ আছে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, আমি তা মনে করি না। আমরা সবার সঙ্গেই ভারসাম্য রা করে চলি। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনী পর্যবেণের আড়ালে কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুর্নাম করার জন্য আসুক, সেটা আমরা চাই না। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক আসছে কি না, কতগুলো দেশ আসার জন্য যোগাযোগ করেছে- এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বেশ কয়েকটি দেশ ও সংস্থা ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ প্রাক্-নির্বাচনী দল পাঠিয়েছে। সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্রের আইআরআই প্রতিনিধিদল এসেছে। তৌহিদ হোসেন বলেন, আমরা বলেছি- একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপে নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকার বদ্ধপরিকর। যারা পর্যবেণে আসতে চায়, তাদের আমরা উৎসাহিত করব। তবে নির্বাচনী পর্যবেণের আড়ালে কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুর্নাম করার জন্য আসুক, সেটা আমরা চাই না। ইতোমধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন পর্যবেণে আগ্রহ দেখিয়েছে। আমরা চাই আরও পর্যবেক আসুক। নির্বাচন হওয়া নিয়ে বিভিন্ন অংশীজন উদ্বেগ প্রকাশ করছে। বিদেশিদের মধ্যে উদ্বেগ আছ কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কেউ আমার কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেননি। তবে যতণ পর্যন্ত ঘটনার শেষ না হয়, দেশে-বিদেশে উদ্বেগ হতেই থাকবে। অন্য এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বিদেশি পর্যবেক কারা হবেন, সেটা নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে। আমরা ভিসা দেওয়ার েেত্র সহায়তা করব। তৌহিদ হোসেন বলেন, শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়ার বিষয়ে আমরা আমাদের আইনি দিক পালন করেছি এবং আদালতের নির্দেশেই আমরা ফেরত চেয়েছি। তারা (ভারত) দেখুক তাদের মতো করে, আমাদের এখন পর্যন্ত কিছু জানায়নি। সাংবাদিকদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমাদের সাংবাদিকরা ভারত গিয়েছিলেন। আপনাদের (সাংবাদিক) নিয়ে আমার একটা অবজারভেশন আছে। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব যখন আপনাদের বলেছিলেন তারা অন্তর্ভুক্তিমূলক , স্বচ্ছ ইত্যাদি নির্বাচন চান। আপনাদের মুখে তারা একটা প্রশ্ন তুলে দিয়েছিলেন, আপনারা কেউ করেননি। আপনাদের মুখে প্রশ্ন তুলে দেওয়া হয়েছিল যে- এই কথা গত ১৫ বছর বলেননি কেন! আগের নির্বাচন কি এই ফর্মুলায় সঠিক ছিল? আপনারা কেউ এই প্রশ্নটি তুলেন নাই। তিনি আরও বলেন, আমি বরং অবাক হয়েছি যে, আপনাদের মধ্যে অনেক সিনিয়র পুরনো সাংবাদিক ছিলেন, কিন্তু কেউ এই প্রশ্নটি তুলেননি। যেহেতু উনি (ভারতের পররাষ্ট্র সচিব) সুযোগ দিয়েছেন, আপনারা যদি বিব্রত করতে নাও চান, যখন তিনি সুযোগ দিয়েছেন তখন প্রশ্নটি করেননি। এ সময় রাষ্ট্রীয় দাওয়াতে জাকির নায়েক দেশে আসছেন কি-না এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইসলামিক বক্তা জাকির নায়েককে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে- এমন কিছু আমার জানা নেই। আমি এখনই আপনাদের কাছে থেকে জানলাম। আমি এরকম কিছু শুনিনি। ঢাকায় নতুন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সমস্যার সৃষ্টি হয় বা বিতর্ক তৈরি হয় এমন কেউ এখানে আসবে না।