Dhaka ০২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গণতন্ত্র ধ্বংসের নতুন চক্রান্ত চলছে : ফখরুল

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩৮:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭৫ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে বিভিন্নভাবে চক্রান্ত চলছে। গণতন্ত্রকে আবার ধ্বংস করার চেষ্টা হচ্ছে। সেই প্রোপটে ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়- যে পথে সত্যিকার অর্থে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। গতকাল শুক্রবার সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টা ২০ মিনিট থেকে ১০টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত চলে এই কর্মসূচি। পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ শেষে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মির্জা ফখরুল বলেন, আজকের দিনটি শুধু বিএনপির নয়, বাংলাদেশের প্রত্যন্ত মানুষের কাছেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ৭ নভেম্বরের চেতনা আমাদের শেখায় জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবো, সেই ল্েয বাংলাদেশ ও বিএনপি এগিয়ে যাবে। এ সময়, গতকাল (গত বৃহস্পতিবার) আপনাকে জামায়াতে ইসলামের নায়েবে আমির ফোন করেছিলেন, এ বিষয়ে মন্তব্য কী- এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, গতকাল (গত বৃহস্পতিবার) আমাদের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছি। সেটাই আমাদের বক্তব্য। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা- মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সালাউদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন; চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান; সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির

রিজভী; যুগ্ম মহাসচিব খাইরুল কবির খোকন ও আব্দুস সালাম আজাদ এবং ঢাকা মহানগর দণি বিএনপির আহŸায়ক রফিকুল আলম মজনুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

মুজিব হত্যার সঙ্গে জিয়াকে জড়ানো ইতিহাস বিকৃতি: আলতাফ : বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেছেন, দশেখ মুজিব হত্যার সঙ্গে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে জড়ানো ইতিহাস বিকৃতি ছাড়া কিছু নয়। গতকাল শুক্রবার সকালে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) টিএসসি কনফারেন্স রুমে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হওয়ার পর দেশে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। সে সময় মোস্তাক আহমেদ নতুন কেবিনেট গঠন করেন, যেখানে বেশিরভাগ ছিলেন আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রীরা। তখনো বিএনপির জন্ম হয়নি। কাজে সেই হত্যাকাÐের সঙ্গে বিএনপি বা জিয়াউর রহমানকে জড়ানো ইতিহাস বিকৃতির শামিল। আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, খালেদ মোশাররফের সামরিক অভ্যুত্থানের পর জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দি করেছিলেন। তবে মাত্র চারদিন পর ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার বিপ্লবে জিয়াউর রহমান মুক্ত হন। তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশকে সঠিক পথে পরিচালনা করতে শুরু করেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান তখন কোনো রাজনীতিক ছিলেন না। সে সময় দেশে শাসন করত আওয়ামী লীগ, আর তাদের পৃষ্ঠপোষক ছিল ভারত। আওয়ামী লীগের অনেক নেতা তখন গোপনে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। জিয়া ভালোভাবে জানতেন, আওয়ামী লীগ কখনো সেনাবাহিনীকে বিশ্বাস করে না। শেখ মুজিব ভারতের পরামর্শেই রী বাহিনী গঠন করেছিলেন। অনুষ্ঠানের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ও ইউট্যাব পবিপ্রবির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান, জিয়া পরিষদ পবিপ্রবির সভাপতি আবুবকর সিদ্দিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

গণতন্ত্র ধ্বংসের নতুন চক্রান্ত চলছে : ফখরুল

Update Time : ১১:৩৮:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে বিভিন্নভাবে চক্রান্ত চলছে। গণতন্ত্রকে আবার ধ্বংস করার চেষ্টা হচ্ছে। সেই প্রোপটে ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়- যে পথে সত্যিকার অর্থে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। গতকাল শুক্রবার সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টা ২০ মিনিট থেকে ১০টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত চলে এই কর্মসূচি। পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ শেষে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মির্জা ফখরুল বলেন, আজকের দিনটি শুধু বিএনপির নয়, বাংলাদেশের প্রত্যন্ত মানুষের কাছেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ৭ নভেম্বরের চেতনা আমাদের শেখায় জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবো, সেই ল্েয বাংলাদেশ ও বিএনপি এগিয়ে যাবে। এ সময়, গতকাল (গত বৃহস্পতিবার) আপনাকে জামায়াতে ইসলামের নায়েবে আমির ফোন করেছিলেন, এ বিষয়ে মন্তব্য কী- এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, গতকাল (গত বৃহস্পতিবার) আমাদের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছি। সেটাই আমাদের বক্তব্য। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা- মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সালাউদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন; চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান; সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির

রিজভী; যুগ্ম মহাসচিব খাইরুল কবির খোকন ও আব্দুস সালাম আজাদ এবং ঢাকা মহানগর দণি বিএনপির আহŸায়ক রফিকুল আলম মজনুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

মুজিব হত্যার সঙ্গে জিয়াকে জড়ানো ইতিহাস বিকৃতি: আলতাফ : বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেছেন, দশেখ মুজিব হত্যার সঙ্গে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে জড়ানো ইতিহাস বিকৃতি ছাড়া কিছু নয়। গতকাল শুক্রবার সকালে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) টিএসসি কনফারেন্স রুমে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হওয়ার পর দেশে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। সে সময় মোস্তাক আহমেদ নতুন কেবিনেট গঠন করেন, যেখানে বেশিরভাগ ছিলেন আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রীরা। তখনো বিএনপির জন্ম হয়নি। কাজে সেই হত্যাকাÐের সঙ্গে বিএনপি বা জিয়াউর রহমানকে জড়ানো ইতিহাস বিকৃতির শামিল। আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, খালেদ মোশাররফের সামরিক অভ্যুত্থানের পর জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দি করেছিলেন। তবে মাত্র চারদিন পর ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার বিপ্লবে জিয়াউর রহমান মুক্ত হন। তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশকে সঠিক পথে পরিচালনা করতে শুরু করেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান তখন কোনো রাজনীতিক ছিলেন না। সে সময় দেশে শাসন করত আওয়ামী লীগ, আর তাদের পৃষ্ঠপোষক ছিল ভারত। আওয়ামী লীগের অনেক নেতা তখন গোপনে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। জিয়া ভালোভাবে জানতেন, আওয়ামী লীগ কখনো সেনাবাহিনীকে বিশ্বাস করে না। শেখ মুজিব ভারতের পরামর্শেই রী বাহিনী গঠন করেছিলেন। অনুষ্ঠানের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ও ইউট্যাব পবিপ্রবির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান, জিয়া পরিষদ পবিপ্রবির সভাপতি আবুবকর সিদ্দিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।