Dhaka ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শতবর্ষী প্যাডেল স্টিমার চালুর সিদ্ধান্তে উচ্ছ্বসিত প্রধান উপদেষ্টা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২৭:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮২ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডবিøউটিসি) অধীনে থাকা শতবর্ষী প্যাডেল স্টিমার ‘পি এস মাহসুদ’ প্রয়োজনীয় মেরামত করে প্রমোদতরী হিসেবে পুনরায় চালুর সিদ্ধান্তে উচ্ছ¡াস প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। গতকাল বুধবার বিকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টাকে এ বিষয়ে অবহিত করেছেন নৌ উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় ছিলেন- প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী ও বিআইডবিøউটিসির চেয়ারম্যান সলিম উল্লাহ। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের বৈচিত্র্যপূর্ণ নৌকার ডিজাইন পুরো পৃথিবীতে বিখ্যাত। অথচ এগুলো সম্পর্কে বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই জানে না। আমাদের এই ঐতিহ্যকে হারিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। প্যাডেল স্টিমারসহ যত পুরোনো নৌযান আছে সবকটিই সংরণে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্যাডেল স্টিমারটি চালু হলে তা দেশে ও বিদেশের বহু পর্যটকের আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হবে বলে আশা করছেন বিআইডবিøউটিসির কর্মকর্তারা। বিদেশি পর্যটকদের জন্য এতে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার, বাংলা গানের পরিবেশনাসহ নানা আকর্ষণ থাকবে। কর্মকর্তারা জানান, সপ্তাহে সাত দিনই প্রমোদতরীগুলো চলবে। পাঁচ ঘণ্টার দীর্ঘ যাত্রার পাশাপাশি দুই-তিন ঘণ্টার সংপ্তি যাত্রার ব্যবস্থাও থাকবে। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ঐতিহ্যবাহী এই প্যাডেল স্টিমারগুলোতে ইতিহাস সংরণ করতে হবে। যারা এতে যাত্রা করবে তারা যেন ইতিহাসটা জানতে পারে। কত বছর আগের স্টিমার, কী নাম, তখনকার দিনে কত আনা ভাড়া নিতো, এর পেছনের গল্পটা কী সেগুলো যেন সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়। এ সময় নৌপরিবহন উপদেষ্টা বলেন, পি এস মাহসুদ কেবল একটি নৌযান নয়, এটি বাংলাদেশের নদীজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের জীবন্ত প্রতীক। আমরা চাই, নতুন প্রজন্ম কাছ থেকে দেখুক, এক সময় নদীপথই ছিল যোগাযোগ ও সংস্কৃতির প্রাণ। পি এস মাহসুদের পাশাপাশি ‘পি এস অস্ট্রিচ’ ও ‘পি এস লেপচা’সহ অন্য পুরোনো স্টিমারগুলোও সংস্কারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং চট্টগ্রামের কাপ্তাই লেকেও প্রমোদতরী হিসেবে একটি স্টিমার চালুর বিষয়ে ভাবা হচ্ছে বলে জানান তিনি। তরুণরা যেন বাংলাদেশের এই মূল্যবান ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারে সে জন্য বিশেষ দিনে স্কুল-কলেজের শিার্থীদের জন্য এই প্রমোদতরীর বিশেষ যাত্রার আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে বিআইডবিøউটিসির কর্মকর্তারা জানান।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কানাডার সংসদীয় প্রতিনিধি দলের সাাৎ : সিনেটর সালমা আতাউল্লাহজানের নেতৃত্বে সাত সদস্যের কানাডার সংসদীয় প্রতিনিধি দল গতকাল বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে সাাৎ করেছেন। সাাৎকালে উভয় প দ্বিপীয় বাণিজ্য সহযোগিতা আরও জোরদার করা এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। প্রধান উপদেষ্টা প্রতিনিধি দলকে চলমান সংস্কার ও আসন্ন ফেব্রæয়ারি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি বলেন, আপনারা এমন এক সময়ে এসেছেন- যখন বাংলাদেশ একটি উল্লেখযোগ্য রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তরুণদের নেতৃত্বাধীন একটি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে। এখন আমরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি, যা জাতির জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হবে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি অবিচল সমর্থনের জন্য কানাডাকে ধন্যবাদ ড. ইউনূস বলেন, আট বছর কেটে গেছে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নিজ দেশে প্রত্যাবাসনই একমাত্র কার্যকর সমাধান। এর কোনো বিকল্প নেই। প্রায় ১২ লাখ মানুষ এখানে বসবাস করে। হাজার হাজার শিশু জন্মগ্রহণ করেছে এবং তাদের নাগরিকত্ব বা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে স্পষ্টতা ছাড়াই বেড়ে উঠছে এবং তারা ক্ষুব্ধ। এখন আমরা আর্থিক কাটছাঁটের মুখোমুখি হচ্ছি, যা এই সংকটকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। সিনেটর সালমা আতাউল্লাহজান বলেছেন, তিনি রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি বিবৃতি দেবেন এবং বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করার জন্য কানাডার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আমি দীর্ঘদিন ধরে কথা বলে আসছি, উদ্বেগ গুরুতর। বিশ্বকে অবশ্যই তাদের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দিকে মনোনিবেশ করতে হবে। তিনি এ বিষয়ে অব্যাহত প্রচেষ্টার জন্য অধ্যাপক ইউনূসকে ধন্যবাদ জানান। প্রতিনিধি দলে ছিলেন স্কারবোরো সেন্টারের ডন ভ্যালি ইস্ট লিবারেলের সংসদ সদস্য সালমা জাহিদ, বৈচিত্র্য, অন্তর্ভুক্তি ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংসদীয় সচিব এবং পররাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য সমীর জুবেরি, হিউম্যান কনসার্ন ইন্টারন্যাশনালের (এইচসিআই) গেøাবাল সিইও মাহমুদা খান, হিউম্যান কনসার্ন ইউএসএ’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুম মাহবুব, গেস্টাল্ট কমিউনিকেশনসের সিইও আহমেদ আতিয়া এবং ইসলামিক রিলিফ কানাডার সিইও উসামা খান। এমপি সমীর জুবেরি বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বহুমুখীকরণে কানাডার আগ্রহের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমরা আমাদের ব্যবসায় বৈচিত্র্য আনার জন্য কাজ করছি। বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে মানুষে মানুষে শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে। বাণিজ্য অংশীদারত্ব স¤প্রসারণ ও বহুমুখীকরণের ল্য নিয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রী স¤প্রতি এশিয়া সফর করেছেন। সাাৎকালে উভয় প গার্মেন্টস, কৃষি ও অন্যান্য খাতে সম্ভাব্য বাণিজ্যের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন এবং বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান রফতানি শিল্পে কানাডার বিনিয়োগ স¤প্রসারণের সুযোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

শতবর্ষী প্যাডেল স্টিমার চালুর সিদ্ধান্তে উচ্ছ্বসিত প্রধান উপদেষ্টা

Update Time : ০৮:২৭:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডবিøউটিসি) অধীনে থাকা শতবর্ষী প্যাডেল স্টিমার ‘পি এস মাহসুদ’ প্রয়োজনীয় মেরামত করে প্রমোদতরী হিসেবে পুনরায় চালুর সিদ্ধান্তে উচ্ছ¡াস প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। গতকাল বুধবার বিকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টাকে এ বিষয়ে অবহিত করেছেন নৌ উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় ছিলেন- প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী ও বিআইডবিøউটিসির চেয়ারম্যান সলিম উল্লাহ। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের বৈচিত্র্যপূর্ণ নৌকার ডিজাইন পুরো পৃথিবীতে বিখ্যাত। অথচ এগুলো সম্পর্কে বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই জানে না। আমাদের এই ঐতিহ্যকে হারিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। প্যাডেল স্টিমারসহ যত পুরোনো নৌযান আছে সবকটিই সংরণে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্যাডেল স্টিমারটি চালু হলে তা দেশে ও বিদেশের বহু পর্যটকের আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হবে বলে আশা করছেন বিআইডবিøউটিসির কর্মকর্তারা। বিদেশি পর্যটকদের জন্য এতে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার, বাংলা গানের পরিবেশনাসহ নানা আকর্ষণ থাকবে। কর্মকর্তারা জানান, সপ্তাহে সাত দিনই প্রমোদতরীগুলো চলবে। পাঁচ ঘণ্টার দীর্ঘ যাত্রার পাশাপাশি দুই-তিন ঘণ্টার সংপ্তি যাত্রার ব্যবস্থাও থাকবে। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ঐতিহ্যবাহী এই প্যাডেল স্টিমারগুলোতে ইতিহাস সংরণ করতে হবে। যারা এতে যাত্রা করবে তারা যেন ইতিহাসটা জানতে পারে। কত বছর আগের স্টিমার, কী নাম, তখনকার দিনে কত আনা ভাড়া নিতো, এর পেছনের গল্পটা কী সেগুলো যেন সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়। এ সময় নৌপরিবহন উপদেষ্টা বলেন, পি এস মাহসুদ কেবল একটি নৌযান নয়, এটি বাংলাদেশের নদীজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের জীবন্ত প্রতীক। আমরা চাই, নতুন প্রজন্ম কাছ থেকে দেখুক, এক সময় নদীপথই ছিল যোগাযোগ ও সংস্কৃতির প্রাণ। পি এস মাহসুদের পাশাপাশি ‘পি এস অস্ট্রিচ’ ও ‘পি এস লেপচা’সহ অন্য পুরোনো স্টিমারগুলোও সংস্কারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং চট্টগ্রামের কাপ্তাই লেকেও প্রমোদতরী হিসেবে একটি স্টিমার চালুর বিষয়ে ভাবা হচ্ছে বলে জানান তিনি। তরুণরা যেন বাংলাদেশের এই মূল্যবান ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারে সে জন্য বিশেষ দিনে স্কুল-কলেজের শিার্থীদের জন্য এই প্রমোদতরীর বিশেষ যাত্রার আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে বিআইডবিøউটিসির কর্মকর্তারা জানান।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কানাডার সংসদীয় প্রতিনিধি দলের সাাৎ : সিনেটর সালমা আতাউল্লাহজানের নেতৃত্বে সাত সদস্যের কানাডার সংসদীয় প্রতিনিধি দল গতকাল বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে সাাৎ করেছেন। সাাৎকালে উভয় প দ্বিপীয় বাণিজ্য সহযোগিতা আরও জোরদার করা এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। প্রধান উপদেষ্টা প্রতিনিধি দলকে চলমান সংস্কার ও আসন্ন ফেব্রæয়ারি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি বলেন, আপনারা এমন এক সময়ে এসেছেন- যখন বাংলাদেশ একটি উল্লেখযোগ্য রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তরুণদের নেতৃত্বাধীন একটি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে। এখন আমরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি, যা জাতির জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হবে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি অবিচল সমর্থনের জন্য কানাডাকে ধন্যবাদ ড. ইউনূস বলেন, আট বছর কেটে গেছে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নিজ দেশে প্রত্যাবাসনই একমাত্র কার্যকর সমাধান। এর কোনো বিকল্প নেই। প্রায় ১২ লাখ মানুষ এখানে বসবাস করে। হাজার হাজার শিশু জন্মগ্রহণ করেছে এবং তাদের নাগরিকত্ব বা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে স্পষ্টতা ছাড়াই বেড়ে উঠছে এবং তারা ক্ষুব্ধ। এখন আমরা আর্থিক কাটছাঁটের মুখোমুখি হচ্ছি, যা এই সংকটকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। সিনেটর সালমা আতাউল্লাহজান বলেছেন, তিনি রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি বিবৃতি দেবেন এবং বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করার জন্য কানাডার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আমি দীর্ঘদিন ধরে কথা বলে আসছি, উদ্বেগ গুরুতর। বিশ্বকে অবশ্যই তাদের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দিকে মনোনিবেশ করতে হবে। তিনি এ বিষয়ে অব্যাহত প্রচেষ্টার জন্য অধ্যাপক ইউনূসকে ধন্যবাদ জানান। প্রতিনিধি দলে ছিলেন স্কারবোরো সেন্টারের ডন ভ্যালি ইস্ট লিবারেলের সংসদ সদস্য সালমা জাহিদ, বৈচিত্র্য, অন্তর্ভুক্তি ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংসদীয় সচিব এবং পররাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য সমীর জুবেরি, হিউম্যান কনসার্ন ইন্টারন্যাশনালের (এইচসিআই) গেøাবাল সিইও মাহমুদা খান, হিউম্যান কনসার্ন ইউএসএ’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুম মাহবুব, গেস্টাল্ট কমিউনিকেশনসের সিইও আহমেদ আতিয়া এবং ইসলামিক রিলিফ কানাডার সিইও উসামা খান। এমপি সমীর জুবেরি বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বহুমুখীকরণে কানাডার আগ্রহের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমরা আমাদের ব্যবসায় বৈচিত্র্য আনার জন্য কাজ করছি। বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে মানুষে মানুষে শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে। বাণিজ্য অংশীদারত্ব স¤প্রসারণ ও বহুমুখীকরণের ল্য নিয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রী স¤প্রতি এশিয়া সফর করেছেন। সাাৎকালে উভয় প গার্মেন্টস, কৃষি ও অন্যান্য খাতে সম্ভাব্য বাণিজ্যের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন এবং বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান রফতানি শিল্পে কানাডার বিনিয়োগ স¤প্রসারণের সুযোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে