Dhaka ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পিআর-সহ অন্যান্য দাবি মানা না হলে বড় আন্দোলনের ডাক জামায়াতসহ ৮ দলের

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:২৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৪০ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কে পিআর পদ্ধতি চালু করাসহ অন্যান্য দাবি আগামী ২৭ অক্টোবরের মধ্যে মানা না হলে দেশব্যাপী বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিয়েছে ধর্মভিত্তিক অন্তত আটটি রাজনৈতিক দল। এই দলগুলোর মধ্যে রয়েছে জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাগপা ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি। গতকাল রোববার জাতীয় প্রেসকাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই আল্টিমেটাম দেয় দলগুলো। সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনরত দলগুলোর প থেকে পাঁচ দফা গণদাবি জাতির সামনে তুলে ধরা হয়। দাবিসমূহ হলো- জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও উক্ত আদেশের ওপর আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই গণভোট আয়োজন করা; আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কে পিআর পদ্ধতি চালু করা; অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ল্েয সকলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা; ফ্যাসিস্ট সরকারের সকল জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা; স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা। এর আগে পৃথকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে এই দলগুলো। এই যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে চলমান আন্দোলনের চতুর্থ পর্বের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- ২০ অক্টোবর রাজধানীতে বিােভ সমাবেশ ও মিছিল; ২৫ অক্টোবর সকল বিভাগীয় শহরে বিােভ সমাবেশ ও মিছিল; ২৭ অক্টোবর সকল জেলা শহরে বিােভ সমাবেশ ও মিছিল। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘জনগণের দাবিগুলো কার্যকর করার কোনও পদপে গ্রহণ করা হচ্ছে না। এমতাবস্থায় জনগণের দাবি আদায়ের জন্য গণআন্দোলনের কোনও বিকল্প নেই। তাই জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও উক্ত আদেশের ওপর আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই গণভোট আয়োজন করে তার আলোকে আগামী ফেব্রæয়ারিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এবং জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও জবাবদিহিতামূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্ররূপে গড়ে তুলতে রাজপথের এই আন্দোলন। পিআর পদ্ধতির যৌক্তিকতা তুলে ধরে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘ইতোমধ্যেই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ নির্ধারণ করা হয়েছে। আমরা ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপে ও ভয়ভীতিমুক্ত গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ল্েয প্রয়োজনীয় পদপে গ্রহণের আহবান জানিয়ে আসছি। আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা অনুযায়ী কালো টাকার ব্যবহার বন্ধ, ভোটকেন্দ্র দখল, পেশিশক্তি প্রদর্শন ও ভোটের বিভিন্ন অনিয়ম ও অপতৎপরতা বন্ধ, কোয়ালিটি-সম্পন্ন পার্লামেন্ট এবং দ আইনপ্রণেতা তৈরিসহ প্রতিটি ভোট মূল্যায়নের ল্েয পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের জন্য জোর দাবি জানিয়ে আসছি। বাংলাদেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, কলামিস্ট, লেখক, গবেষক, শিাবিদ ও নানা শ্রেণিপেশার মানুষ পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবির সাথে একমত পোষণ করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্য ইউনুস আহমাদ, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাদের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন, নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার, বাংলাদেশে খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমীর, মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মহাসচিব নিজামুল হক নাইম প্রমুখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

পিআর-সহ অন্যান্য দাবি মানা না হলে বড় আন্দোলনের ডাক জামায়াতসহ ৮ দলের

Update Time : ০৫:২৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কে পিআর পদ্ধতি চালু করাসহ অন্যান্য দাবি আগামী ২৭ অক্টোবরের মধ্যে মানা না হলে দেশব্যাপী বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিয়েছে ধর্মভিত্তিক অন্তত আটটি রাজনৈতিক দল। এই দলগুলোর মধ্যে রয়েছে জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাগপা ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি। গতকাল রোববার জাতীয় প্রেসকাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই আল্টিমেটাম দেয় দলগুলো। সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনরত দলগুলোর প থেকে পাঁচ দফা গণদাবি জাতির সামনে তুলে ধরা হয়। দাবিসমূহ হলো- জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও উক্ত আদেশের ওপর আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই গণভোট আয়োজন করা; আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কে পিআর পদ্ধতি চালু করা; অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ল্েয সকলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা; ফ্যাসিস্ট সরকারের সকল জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা; স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা। এর আগে পৃথকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে এই দলগুলো। এই যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে চলমান আন্দোলনের চতুর্থ পর্বের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- ২০ অক্টোবর রাজধানীতে বিােভ সমাবেশ ও মিছিল; ২৫ অক্টোবর সকল বিভাগীয় শহরে বিােভ সমাবেশ ও মিছিল; ২৭ অক্টোবর সকল জেলা শহরে বিােভ সমাবেশ ও মিছিল। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘জনগণের দাবিগুলো কার্যকর করার কোনও পদপে গ্রহণ করা হচ্ছে না। এমতাবস্থায় জনগণের দাবি আদায়ের জন্য গণআন্দোলনের কোনও বিকল্প নেই। তাই জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও উক্ত আদেশের ওপর আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই গণভোট আয়োজন করে তার আলোকে আগামী ফেব্রæয়ারিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এবং জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও জবাবদিহিতামূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্ররূপে গড়ে তুলতে রাজপথের এই আন্দোলন। পিআর পদ্ধতির যৌক্তিকতা তুলে ধরে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘ইতোমধ্যেই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ নির্ধারণ করা হয়েছে। আমরা ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপে ও ভয়ভীতিমুক্ত গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ল্েয প্রয়োজনীয় পদপে গ্রহণের আহবান জানিয়ে আসছি। আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা অনুযায়ী কালো টাকার ব্যবহার বন্ধ, ভোটকেন্দ্র দখল, পেশিশক্তি প্রদর্শন ও ভোটের বিভিন্ন অনিয়ম ও অপতৎপরতা বন্ধ, কোয়ালিটি-সম্পন্ন পার্লামেন্ট এবং দ আইনপ্রণেতা তৈরিসহ প্রতিটি ভোট মূল্যায়নের ল্েয পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের জন্য জোর দাবি জানিয়ে আসছি। বাংলাদেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, কলামিস্ট, লেখক, গবেষক, শিাবিদ ও নানা শ্রেণিপেশার মানুষ পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবির সাথে একমত পোষণ করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্য ইউনুস আহমাদ, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাদের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন, নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার, বাংলাদেশে খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমীর, মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মহাসচিব নিজামুল হক নাইম প্রমুখ।